Job

আধুনিক বিজ্ঞান

- সাধারণ বিজ্ঞান | NCTB BOOK
2.7k

আধুনিক বিজ্ঞান হলো পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষণ ও যুক্তিনির্ভর পদ্ধতিতে ভৌত বিশ্ব ও প্রকৃতির কার্যকারণ খোঁজার বর্তমান প্রক্রিয়া, যা প্রধানত প্রাকৃতিক, সামাজিক ও প্রথাগত—এই তিন শাখায় বিভক্ত । গ্যালিলিও গ্যালিলিকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক মনে করা হয়, কারণ তিনি পরীক্ষামূলক পদ্ধতির সূচনা করেছিলেন । এটি প্রযুক্তিগত উন্নতির মাধ্যমে জীবনযাত্রাকে আমূল পরিবর্তন করেছে এবং মহাবিশ্বের রহস্য উদঘাটনে সহায়তা করছে ।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নিরক্ষীয় অঞ্চলে
শীতপ্রধান অঞ্চলে
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
মেরু অঞ্চলে
KVL এবং KCL কেবল DC বর্তনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
KVL এবং KCL কেবল মাত্র AC বর্তনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
KVL এবং KCL, DC ও AC উভয় বর্তনীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
কোনটিই নয়

মহাবিশ্ব

3k

মহাবিশ্ব

মহাবিশ্ব বা বিশ্বব্রহ্মাণ্ড হলো স্থান ও কালের সমষ্টি এবং এর ভেতরে থাকা সব পদার্থ, শক্তি, নক্ষত্র, ছায়াপথ ও ভৌত নিয়মের সমন্বয়। বর্তমান বৈজ্ঞানিক ধারণা অনুযায়ী, মহাবিশ্বের জন্ম হয়েছে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে একটি বিশাল বিস্ফোরণের মাধ্যমে, যাকে বিগ ব্যাং বলা হয়। সেই সময় থেকেই মহাবিশ্ব ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।

আমরা যে অংশটি পর্যবেক্ষণ করতে পারি, তাকে পর্যবেক্ষণযোগ্য মহাবিশ্ব বলা হয়, যার ব্যাস প্রায় ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষ। মহাবিশ্বের মোট আকার ঠিক কত বড়, তা এখনও অজানা।

মহাবিশ্বের উপাদানগুলো হলো—

  • ডার্ক এনার্জি (≈ ৬৮%): মহাবিশ্বের প্রসারণকে ত্বরান্বিত করে

  • ডার্ক ম্যাটার (≈ ২৭%): অদৃশ্য পদার্থ, যা মহাকর্ষীয় প্রভাব ফেলে

  • সাধারণ পদার্থ (≈ ৫%): তারা, গ্রহ, গ্যাস, আমরা যা দেখতে পাই

মহাবিশ্বে রয়েছে শত শত বিলিয়ন ছায়াপথ, প্রতিটিতে কোটি কোটি নক্ষত্র। আমাদের সূর্য একটি সাধারণ নক্ষত্র, যা আকাশগঙ্গা ছায়াপথের অংশ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

নাইট্রোজেন
অক্সিজেন
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
কার্বন-ডাই-অক্সাইড

জ্যোতির্বিজ্ঞান

1.8k

জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy)

জ্যোতির্বিজ্ঞান বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যাতে মহাবিশ্বে অবস্থিত সকল বিচ্ছিন্ন এবং অবিচ্ছিন্ন বস্তসমূহের উৎপত্তি, বিবর্তন, গঠন, দূরত্ব এবং গতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। অর্থাৎ জ্যোতির্বিজ্ঞান মাহাবিশ্বে ভ্রাম্যমাণ জ্যোতিষ্ক বিষয়ক বিজ্ঞান। জ্যোতিষ্কসমূহের ইংরেজি নাম Heavenly bodies বা Astronomical bodies বা স্বর্গীয় বস্তু। প্রাচীনকালে মানুষেরা আকাশকেই স্বর্গ মনে করতো, তাই আকাশে বিদ্যমান সববস্তুকে স্বর্গীয় বস্তু বলতো। জ্যোতির্বিজ্ঞান আর জ্যোতিষশাস্ত্র এক নয়। জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের বলা হয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী (Astronomer) আর জ্যোতিষশাস্ত্রবিশারদকে বলে জ্যোতিষী (Astrologer) বলে।

জ্যোতির্বিদ (Astronomer)

টলেমি

টলেমি (Ptolemy) ৯০ খ্রিস্টাব্দে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত রোমান গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'Almagest' |

গ্যালিলিও

গ্যালিলিও ছিলেন একজন ইতালীয় পদার্থবিদ, জ্যোর্তিবিদ এবং গণিতবিদ। তাঁর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি সাধন যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। গ্যালিলিও কে 'আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক' বলা হয়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

আলবার্ট আইনস্টাইন
হর গোবিন্দ খোরানা
জামাল নজরুল ইসলাম
স্টিফেন হকিংস

গ্যালিলিও

স্টিফেন হকিং

আইজ্যাক নিউটন

মাইকেল ফ্যারাডে

বিশ্বতত্ত্ব

1.4k

বিশ্বতত্ত্ব বা ভৌত সৃষ্টিতত্ত্ব হল জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যার একটি শাখা, যা দিয়ে মূলত মহাবিশ্বের বৃহদাকার কাঠামো, এর গঠন এবং বিবর্তন সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্নের অধ্যয়ন করা হয়। আধুনিক ভৌত সৃষ্টিতত্ত্বের শুরু হয় বিংশ শতাব্দীতে, মূলত আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্ব এবং দূরবর্তী মহাজাগতিক বস্তুসমূহের উন্নততর ভৌত পর্যবেক্ষণের ব্যাপক উন্নতিসাধনের সঙ্গে।

মহাবিস্ফোরণ (Big bang)

১৫ শত কোটি বৎসর পূর্বে মহাবিশ্বের সমস্ত বস্তু সংকুচিত অবস্থায় একটি বিন্দুর মত ছিল ঠিক যেন একটি অতি-পরমাণু (Superatom)। আজ থেকে ১৫ শত কোটি বৎসর পূর্বে এই অতি-পরমাণুর মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে, পুঞ্জ পুঞ্জ বস্তু চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছুটতে থাকে। এসব পুঞ্জ থেকেই তৈরি হয়েছে ছায়াপথ, গ্রহ, উপগ্রহ ইত্যাদি। আদি এই বিস্ফোরণকে বলা হয় 'বিগ ব্যাঙ' - বাংলায় একে বলা যেতে পারে "মহাবিস্ফোরণ” বা "বৃহৎ বিস্ফোরণ”। বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি, লেমেটার (G. Lemaitre) 'বিগ ব্যাঙ' তত্ত্বের প্রবক্তা। বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ "A Brief History of Time" পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে 'বিগ ব্যাঙ' এর ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জ্যোতিষ্কমণ্ডলী

1.6k

জ্যোতিষ্কমণ্ডলী (Luminaries)

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যাবতীয় বস্তু শক্তি যে অঞ্চলে ভাসমান অবস্থায় বিন্যস্ত তার নাম মহাকাশ। মহাকাশে রয়েছে নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, ছায়াপথ, উল্কা, নীহারিকা, পালসার, কৃষ্ণবামন, কৃষ্ণগহবর প্রভৃ তি। এগুলোকে জ্যোতিষ্ক বলে। জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার। যথা নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, ছায়াপথ এবং উল্কা।

Content added By
Content updated By

ছায়াপথ

1.4k

ছায়াপথ (Milky Way)

মহাকাশে কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা এবং বিশাল বাষ্পকুণ্ড নিয়ে জ্যোতিষ্কমণ্ডলীর যে দল সৃষ্টি হয়েছে, তাকে গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ বলে। মহাকাশে অসংখ্য গ্যালাক্সি রয়েছে। একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ (Milky Way) বলে। রাতের অন্ধকার আকাশে উত্তর-দক্ষিণে উজ্জ্বল দীপ্ত দীর্ঘপথের মত যে তারকারাশি দেখা যায় তাই ছায়াপথ। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। কোনো ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবার ঘুরে আসতে যে সময়ের প্রয়োজন হয়, তাকে কসমিক ইয়ার বলে। আমাদের ছায়াপথের কসমিক ইয়ার হলো ২০ কোটি আলোকবর্ষ। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের ছায়াপথের নাম ম্যাজিলানিক ক্লাউডস। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ২ লক্ষ আলোকবর্ষ।

Content added By
Content updated By

গ্রহ

4.2k

সৌরজগতের গ্রহ

সূর্যের ৮টি গ্রহ আছে। সূর্য হতে দূরত্ব অনুযায়ী গ্রহগুলো যেভাবে সাজানো রয়েছে সেগুলো নিচে বর্ণনা করা হল। যথা- বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন। ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট প্লটো মর্যাদা হারায়। প্লটোকে বর্তমানে ‘বামন গ্রহ’ (dwarf planet) এর মর্যাদা দেওয়া হয়। বর্তমানে সৌরজগতের পাঁচটি বামন গ্রহ আছে। যথা- সেরেস, প্লুটো, হাউমিয়া, মেকমেক এবং এরিস। পৃথিবী ছাড়া সৌরজগতের অন্যান্য সকল গ্রহ, এবং, উপগ্রহের নাম গ্রিক যা রোমনি দেবতার নাম হতে নেওয়া হয়েছে।

গ্রহ (planet)

মহাকর্ষ বলের প্রভাবে মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যের চারিদিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে। এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই। এরা নক্ষত্র থেকে আলো এবং তাপ পায়। এরা তারার মত মিটমিট করে জ্বলে না। এ সব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন: পৃথিবী সৌরজগতের একটি গ্রহ।

বুধ: বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং দ্রুততম গ্রহ। এটি সবচেয়ে কম সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সূর্যকে এর প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।

শুক্র: সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ শুক্র। শুক্রগ্রহে কার্বন-ডাই অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল থাকায় তা তাপ ধরে রাখে পক্ষান্তরে বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। এজন্য বুধ অপেক্ষা সূর্য হতে দূরবতী হওয়া সত্ত্বেও শুক্র গ্রহের তাপমাত্রা অধিক। শুকতারা ও সন্ধ্যাতারার কথা আমরা শুনেছি। শুকতারা বা সন্ধ্যা তারা আসলে কোনো তারা নয়। শুক্রগ্রহ ভোরের আকাশ শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যা তারা নাামে পরিচিত। নক্ষত্রের মতে জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি। পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ শুক্র। একে পৃথিবীর ‘জমজ গ্রহ’ বলা হয়।পৃথিবী: পৃথিবী একটি অভিগত গোলক। অভিগত গোলক অর্থ উত্তর দক্ষিণে সামান্য চাপা এবং পূর্ব-পশ্চিমে সামান্য স্ফীত। আহ্নিক গতির জন্য পৃথিবীর আকৃতি এরূপ হয়েছে। পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র সূর্য। সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্দ্র। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব ৯৩ মিলিয়ন মাইল বা ১৫ কোটি কি.মি.। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮.৩২ মিনিট বা ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৫০০ সে.।

মঙ্গল: মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে লাল আয়রন অক্সাইড (যাকে মরিচা বলা হয়) বিদ্যমান। পৃথিবী থেকে এই গ্রহটি দেখতে লালচে দেখায়। এজন্য মঙ্গলকে অনেক সময় ‘লাল গ্রহ’ বলেও অভিহিত করা হয়। গ্রহের বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কার্বন ডাই-অক্সাইড (৯৫.৯৭%)। গ্রহটি সূর্যকে ৬৮৭ দিনে আবর্তন করে।

বৃহস্পতি: সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। সবচেয়ে বড় গ্রহ বলে একে ‘গ্রহরাজ’’ বলা হয়। আয়তনে বৃহস্পতি পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।

শনি: সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এটি গ্যাসের তৈরি বিশাল এক গোলক। শনিকে ঘিরে আছে হাজার হাজার বলয়।

ইউরেনাস: ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। একে ‘সবুজ গ্রহ’ও কম হয়।

নেপচুন: সৌরজগতের গ্রহসমূহের মধ্যে সূর্যকে প্রদিক্ষণ করতে নেপচুনের সবচেয়ে বেশি সময় লাগে।

বামন গ্রহ (Dwarf planet)

বামন গ্রহ হলো সৌরজগতের এক ধরনের জ্যোতিষ্ক যা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিয়ন কর্তৃক সজ্ঞায়িত হয়েছে। এই সংজ্ঞাটি বর্তমানে কেবল সৌরজগতের জন্যই প্রযোজ্য। বামন গ্রহ হলো যাদের (১) ভর গ্রহের সমান কিন্তু গ্রহও নয়, উপগ্রহও নয় (২) সূর্যকে সরাসরি প্রদক্ষিণ করে, নিজস্ব আকৃতি পাবার মতো অভিকর্ষের মালিক (৩) কিন্তু কক্ষপথকে অন্যান্য বস্তু থেকে আলাদা বা স্বাতন্ত্র্য করতে পারেনি। ২০০৬ সালের ২৪ আগস্ট প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়। প্লুটোকে বর্তমানে 'বামন গ্রহ' (dwarf planet) এর মর্যাদা দেওয়া হয়। বর্তমানে সৌরজগতের পাঁচটি বামন গ্রহ আছে। যথা- প্লুটো (Pluto), সেরেস (Ceres), হাউমিয়া (Haumea), মেকমেক (Makemake) এবং এরিস (Eris)।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

১৭ কোটি কি.মি.
১৫ কোটি কি.মি.
১০ কোটি কি.মি.
১৩ কোটি কি.মি.

উপগ্রহ

1.7k

উপগ্রহ (Satellite)

মহাকর্ষ বলের প্রভাবে যে জ্যোতিষ্ক বা বস্তু গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, তাদের উপগ্রহ বলে। এদের নিজস্ব আলো ও তাপ নেই। উপগ্রহ দুই ধরনের, যথা- স্বাভবিক উপগ্রহ এবং কৃত্রিম উপগ্রহ। প্রাকৃ তিক কারণে সৃষ্ট উপগ্রহকে স্বাভবিক উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র স্বাভবিক উপগ্রহ। মহাশূন্য পাড়ি দেওয়ার জন্য মানব সৃষ্ট উপগ্রহ কৃত্রিম উপগ্রহ বলে। 'স্যাটেলাইট' বলতে এখন কৃত্রিম উপগ্রহকেই বোঝায়। যেমন- স্পুটনিক-ও, ভস্টক-১ ইত্যাদি।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ধূমকেতু

3.4k

ধূমকেতু (Comet)

মহাকাশে মাঝে মাঝে এক প্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এ সব জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এ সব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলা হয়। নক্ষত্রের চারপাশে দীর্ঘপথে এগুলো পরিভ্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে প্রথমে অস্পষ্ট মেঘের আকারে দেখা যায়। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। হ্যালির ধূমকেতু প্রায় ৭৫ বা ৭৬ বছর পরপর দেখা যায়। ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ দেখা গেছে। হ্যালির ধূমকেতু আবার দেখা যাবে (১৯৮৬ + ৭৬) = ২০৬২ সালে। একবিংশ শতাব্দীর প্রথম ধূমকেতু লাইনিয়ার। বিগত শতাব্দীর সবচেয়ে উজ্জ্বল ধূমকেতু 'হেলবপ'। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এলান হেল ও টমাস বপ ১৯৯৫ সালে ২৩ জুলাই এই ধূমকেতুটি আবিষ্কার করেন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

গ্যাস, পাথর ও পানি

গ্যাস, ধূলিকণা ও শিলা

পাথর, আগুন ও ধুলিকণা

পাথর, বরফ ও ধুলিকণা

উল্কা

1.1k

উল্কা (Meteor)

মহাশূন্যে অজস্র 'জড়পিণ্ড ভেসে বেড়ায়। এই জড়পিগুলো মাধ্যাকর্ষণ বলের আকর্ষণে প্রচণ্ড গতিতে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে। বায়ুর সংস্পর্শে এসে বায়ুর সংগে ঘর্ষণের ফলে এরা জ্বলে ওঠে। এগুলোকে উল্কা বলে। ধুমকেতুর সূর্যের কাছাকাছি এসে পড়লে এর প্রচণ্ড উত্তাপ এবং সৌরঝড়ের কারণে সম্মুখভাগ ও অন্তঃস্থল গলে গিয়ে পেছনের দিকে ধূমকেতুর লেজ-এ ছড়িয়ে পড়ে। এই 'লেজ'-এর মধ্যে থাকে অসংখ্য পাথরের টুকরো, ধূলিকণা ও গ্যাস। কোনো ধূমকেতুর অংশবিশেষ কক্ষপথ হতে বিচ্যুত হয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণে জ্বলে ওঠলে তাকে উল্কা বৃষ্টি বলে। ১৬-২২ জুলাই, ১৯৯৪ ধুমকেতু শুমেকার লেভী-৯ কক্ষপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে বৃহস্পতির কক্ষপথে চলে আসে এবং ১২টি খণ্ডে বিভক্ত হয়ে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে।

Content added By

মহাজাগতিক রশ্মি

1.8k

মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic ray)

মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে, তাদের সমষ্টিকে মহাজাগতিক রশ্মি বলে। বিজ্ঞানী ভিক্টর হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

আলোক বর্ষ (Light Year)

জ্যোতির্বিদ্যায় দূরত্বের একক হিসেবে আলোক বর্ষ, পারসেক ব্যবহৃত হয়। শূন্যস্থানে আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।
১ আলোকবর্ষ = ৯.৪৬১ × ১০১২ কিলোমিটার

দূরত্বের সবচেয়ে বড় একক পারসেক। ১ পারসেক = ৩.২ আলোকবর্ষ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ভূ-পৃষ্ঠে
ভূ-কেন্দ্রে
ভূ-পৃষ্ট থেকে ৬০০ মিটার উপরে
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৬০০ মিটার নিচে

সৌরজগৎ

1.3k

সৌরজগৎ (Solar System)

সৌরজগৎ বলতে সূর্য ও মহাজাগতিক জ্যোতির্কবিষয়ক বস্তুসমূহকে বুঝায়। সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ বা সৌরপরিবার গঠিত হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় অব্দে জ্যোতির্বিদ অ্যারিস্টর্কাস (Aristarchus) প্রথম প্রস্তাব করেন, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে পরিভ্রমণ করিতেছে কিন্তু অ্যারিস্টর্কাস এর কথা মানুষ বিশ্বাস করেনি। সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবী সূর্যের চতুর্দিকে পরিভ্রমণ করিতেছে' ষোড়শ শতাব্দীতে নিকোলাস কোপার্নিকাস (Nicolaus Copernicus) গাণিতিক মডেলসহ এ তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা Heliocentrism নামে পরিচিত।

সূর্য (Sun)

সূর্যের ব্যাস ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিমি. এবং ভর প্রায় ১.৯৯ ০১০১৩ কেজি। আয়তনে সূর্য পৃথিবীর চেয়ে ১৩ লক্ষ বা ১.৩ মিলিয়ন গুণ এবং চাঁদের চেয়ে ২ কোটি ৩০ লক্ষ গুণ বড়। সূর্য প্রচণ্ড রকম উত্তপ্ত একটি নক্ষত্র। এর কেন্দ্রভাগের উত্তাপ প্রায় ১৫০,০০০,০০০° সে. এবং পৃষ্ঠভাগের তাপমাত্রা প্রায় ৬,০০০° সে.। সূর্যের উপাদানসমূহের শতকরা সংযুক্তি: হাইড্রোজেন ৯১.২%, হিলিয়াম ৮.৭% ও অন্যান্য ০.১%। সূর্যের নিজ অক্ষের উপর এক বার আবর্তন করতে ২৫ দিন সময় লাগে। একে সূর্যের আবর্তনকাল বলে। সূর্যপৃষ্ঠের যে সব স্থানের তাপমাত্রা এর পাশ্ববর্তী স্থান অপেক্ষা কম, পৃথিবী থেকে সে স্থানগুলো কালো দেখায়, তাদের সৌরকলঙ্ক বলে। সৌর কলঙ্কগুলোকে সর্বপ্রথম গ্যালিলিও আবিষ্কার করেন। সৌর ঝলক হল সূর্য থেকে উৎক্ষিপ্ত চার্জযুক্ত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম। সূর্য সাধারণত প্রতি ৩-৪ বছরে একবার কয়েকটন পরিমাণ চার্জযুক্ত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম আলোর ঝলকানিসহ মহাশূন্যে ছুঁড়ে দেয় যা ৫ কোটি কিমি. জুড়ে বিস্তৃত হয়। সৌর ঝলকের কারণে পৃথিবীতে বেশকিছু সমস্যা বিশেষ করে চৌম্বক ক্ষেত্রে অস্থিরতা দেখা দেয়। ফলশ্রুতিতে টেলিফোন সংযোগ এবং ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিশনে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে।

সৌরজগতের গ্রহ

সূর্যের ৮টি গ্রহ আছে। সূর্য হতে দূরত্ব অনুযায়ী গ্রহগুলো যেভাবে সাজানো রয়েছে সেগুলো নিচে বর্ণনা করা হল। যথা-

1বুধ (Mercury)রোমান বাণিজ্য দেবতার নামানুসারে
2শুক্র (Venus)রোমান ভালবাসা এবং সৌন্দর্যের দেবীর নামানুসারে
3পৃথিবী (Earth)পৃথিবী ছাড়া সৌরজগতের অন্যান্য সকল গ্রহ এবং উপগ্রহের নাম গ্রিক যা রোমান দেবতার নাম হতে নেওয়া হয়েছে
4মঙ্গল (Mars)রোমান যুদ্ধদেবতার নামানুসারে
5বৃহস্পতি (Jupiter)রোমান দেবতাদের রাজার নামানুসারে
6শনি (Saturn)রোমান কৃষি দেবতার নামানুসারে
7ইউরেনাস (Uranus)রোমান স্বর্গের দেবতার নামানুসারে
8নেপচুন (Neptune)রোমান সমুদ্র দেবতার নামানুসারে

সৌরজগতের উপগ্রহ

সৌরজগতের সর্বমোট ৪৯ টি উপগ্রহ আছে। শনির সর্বাধিক ২২টি উপগ্রহ আছে। বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই। পৃথিবীর ১টি, মঙ্গলের ২টি, বৃহস্পতির ১৬টি, ইউরেনাসের ৫টি, নেপচুনের ২টি এবং প্লুটোর ১টি উপগ্রহ রয়েছে। সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ বৃহস্পতির গ্যানিমেড এবং সবচেয়ে ছোট উপগ্রহ বৃহস্পতির লেডা।

গ্রহ

উপগ্রহ

পৃথিবীপৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের নাম চাঁদ। পৃথিবী হতে চাঁদের দূরত্ব গড়ে ২,৩৮,৪৩৭মাইল বা ৩,৮১,৫০০ কিমি.। আলোর গতিতে চললে পৃথিবী থেকে চাঁদে পৌছাতে প্রায় ১.৩ সেকেন্ড সময় লাগবে। আয়তন এবং ব্যাসে পৃথিবী চাঁদের চেয়ে যথা-ক্রমে ৫০ গুণ এবং ৪ গুণ বড়। পৃথিবীর চারদিকে চাঁদের একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে ২৭ দিন ৮ ঘণ্টা। শান্ত সাগর চাঁদে অবস্থিত।
মঙ্গলউপগ্রহগুলোর ফোবোস এবং ডিমোস।
বৃহস্পতিউপগ্রহগুলোর মধ্যে লো, ইউরোপা, গ্যানিমেড ও ক্যালিস্টো প্রধান।
শনিশনির প্রধান উপগ্রহ টাইটান, হুয়া, ডাইওন, ক্যাপিটাস, টেথ্রিস।
ইউরেনাসউপগ্রহগুলোর নাম - মিরিন্ডা, এরিয়েল, আম্রিয়েল, টাইটানিয়া এবং ওবেরন।
নেপচুনউপগ্রহগুলোর নাম ট্রাইটন ও নেরাইড।
প্লুটোউপগ্রহের নাম ক্যারন।

উপগ্রহগুলোর আকারের ক্রম: গ্যানিমেড > টাইটান > ক্যালিস্টা > লো > চাঁদ > ...... > লেডা।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মাইকেল কলিন্স
জন ক্যাবট
নীল আর্মস্ট্রং
নিকোলাস কোপারনিকাস

সূর্যগ্রহণ

1.4k

সূর্যগ্রহণ

চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায় (কিছু সময়ের জন্য)। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলা হয়। অমাবস্যার পরে নতুন চাঁদ উঠার সময় এ ঘটনা ঘটে। পৃথিবীতে প্রতি বছর অন্তত দুই থেকে পাচঁটি সূর্যগ্রহণ পরিলক্ষিত হয়। এর মধ্যে শূন্য থেকে দুইটি সূর্যগ্রহণ পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয় ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকে
পূর্নিমা তিথি
চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝে থাকে
চাঁদ পৃথিবী ও চাঁদের মাঝে ৯০ ডিগ্রি কোণ তৈরি করে
চাঁদ ও পৃৃথীবি এক সরলরেখায় অবস্থান করে
চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে
পৃথিবী, সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করে
চাঁদ, সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করে
চাঁদ ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে
চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে
পৃথিবী, সূর্য ও চাঁদের মাঝে থাকে
চাঁদ ও সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করে

চন্দ্রগ্রহণ

2.1k

চন্দ্রগ্রহণ

আমরা সবাই জানি, চাঁদ যেমন পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তেমন পৃথিবীও সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। এইভাবে একটা সময় চাঁদ, সূর্য, পৃথিবী ঘুরতে ঘুরতে এক সরলরেখায় আসে।যখন এই সরলরেখায় পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্যের মধ্যে আসে, তখন পৃথিবীর ছায়ার জন্য চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছায় না, ফলে চাঁদকে তখন কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় না। অর্থাৎ পৃথিবী পৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন একে সংক্ষেপে চন্দ্রগ্রহণ বলে।

এই সময় পৃথিবী, সূর্যকে আংশিক ঢেকে নিলে পৃথিবীর জন্য চাঁদকে আংশিক দেখা যায় না একে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ বলে। আর পৃথিবী সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে নিলে পৃথিবীর জন্য চাঁদকে পুরোপুরি দেখা যায় না একে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ বলে। চাঁদের তুলনায় পৃথিবীর ব্যাস অনেক বেশি হওয়ায়, পৃথিবীর ঐ ব্যাসের পথ অতিক্রম করতে চাঁদের অনেকটা সময় লাগে। এই জন্য সূর্যগ্রহনের স্থায়ীত্ত্ব কয়েক মিনিট হলেও চন্দ্রগ্রহণের স্থায়ীত্ত্ব ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত হতে পারে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পৃথিবী , সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে অবস্থান করে
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
সূর্য , চন্দ্র ও পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে
পৃথিবী ও চন্দ্র সােজাসুজি অবস্থান করে

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস

1.8k

কৃত্রিম উপগ্রহের মহাকাশ যাত্রার ইতিহাস

স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের আবিষ্কার ও মহাকাশ যাত্রার ইতিহাস খুব একটা পুরোনো নয়। ষাটের দশকে প্রথমবারের মতো এ গৌরব অর্জন করে তৎকালিন সোভিয়েত ইউনিয়ন। পরের বছর যুক্তরাষ্ট্রও মহাকাশের উদ্দেশ্যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সক্ষম হয়। এরপর একে একে ফ্রান্স, জাপান, চীন ও ভারতসহ ৫৬টি দেশ মহাকাশ জয় করে১৯৫৭ সালের চৌঠা অক্টোবর। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মহাকাশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে স্যাটেলাইট স্পুটনিক- ১। রাশিয়ার তৈরি এ কৃত্রিম উপগ্রহের মহাকাশ জয়ের মধ্যদিয়ে রচিত হয় আধুনিক বিজ্ঞানের নতুন এক অধ্যায়। একই বছরের দোসরা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামের আরো একটি কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠায় রাশিয়া।

পরের বছর এক্সপ্লোরার-১ নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের মধ্যদিয়ে মহাকাশ জয়ের দ্বিতীয় দেশের গৌরব অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পর ১৯৬৫ সালে মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সক্ষম হয় ফ্রান্স। ১৯৭০ সালে একই গৌরব অর্জন করে জাপান।

ওই বছরেই ডং ফ্যাং হং-১ নামের কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠায় চীন। পরের বছর ব্ল্যাক অ্যারো রকেটে প্রোসপেরো এক্স-৩ নামের স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে ব্রিটেন। এছাড়া, ১৯৮০ সালে রোহিনী নামের কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ যাত্রা শুরু করে প্রতিবেশী দেশ ভারত। বাংলাদেশের আগে সবশেষ এ তালিকায় যুক্ত হয় কোস্টারিকার নাম।

উইকিপিডিয়ার হিসেবে বলছে, ২০১৩ সাল পর্যন্ত ৫০টিরো বেশি দেশ থেকে কয়েক হাজার স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। তবে পৃথিবীর মাত্র ১০টি দেশ নিজস্ব প্রযুক্তি ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে সক্ষম।

এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান, চীন, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইসরাইল, ইউক্রেন এবং ইরান। বর্তমানে মহাকাশে সচল রয়েছে ১০ হাজারের বেশি স্যাটেলাইট। এর ৫০ ভাগই উৎক্ষেপণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে রাশিয়ার একটি স্যাটেলাইটের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ এশিয়ায় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তালিকায় শীর্ষে ভারত। গেল বছর একদিনে ১০৪টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে ইতিহাস গড়ে দেশটি। এর আগে ২০১৪ সালে রাশিয়া এক সঙ্গে ৩৭টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছিল। এছাড়া, গেল বছর ৫ মে ''দক্ষিণ এশিয়া কৃত্রিম উপগ্রহ'' নামে একটি যৌথ প্রকল্পও শুরু করে ভারত।

যার অংশীদার, পাকিস্তান বাদে সার্কের বাকি সদস্য দেশগুলো। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তানের নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকলেও এখনও অনেক পিছিয়ে নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ এবং মিয়ানমার। বঙ্গবন্ধু/বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইটের মালিকানায় এখন বাংলাদেশ।

আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, তথ্যের আদান-প্রদান, সম্প্রচার, বিমান ও সমুদ্রগামী জাহাজের দিক নির্দেশনা এবং সামরিক কাজ তথা পরমাণু অস্ত্রের পর্যবেক্ষণ, রাডার নিয়ন্ত্রণ এবং শত্রুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণে স্যাটেলাইটের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

আলফা সেন্টাউরি B
প্রক্সিমা সেন্টাউরি
আলফা সেন্টাউরি A
ভেগা
মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ

মহাশূন্যে পর্যটন

1k

মহাশূন্যে পর্যটন

মহাশূন্যে পর্যটন বা মহাকাশ পর্যটন হলো বিনোদন, ভ্রমণ বা শখের বশে ব্যক্তিগত খরচে মহাকাশ ভ্রমণ করা । ২০০১ সালে ডেনিস টিটোর যাত্রার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই খাতটি বর্তমানে SpaceX, Blue Origin ও Virgin Galactic এর মতো কোম্পানিগুলোর সুবাদে দ্রুত বিকশিত হচ্ছে । এটি প্রধানত অরবিটাল (কক্ষপথ), সাব-অরবিটাল ও চন্দ্র পর্যটন নামে পরিচিত ।

মহাশূন্যযানের নাম

মহাশূন্যযানের নাম

সাফল্যের প্রকৃতি

স্পুটনিক-I

Sputnik-I

মহাশূন্যযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছে ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর। এই যাত্রার সূচনা করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাশূন্যে স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। এটি মহাশূন্যে পাঠানো প্রথম কৃ ত্রিম উপগ্রহ। স্পুটনিক শব্দের অর্থ Fellow Travellers (ভ্রমণসঙ্গী)।

স্পুটনিক-II

Sputnik-II

জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম মহাশূন্যযান। সোভিয়েত ইউনিয়ন নির্মিত এ মহাশূন্যযানের যাত্রী ছিল লাইকা (Laika) নামের একটি কুকুর।
স্কোর [Score]মহাশূন্যে পাঠানো প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ।
লুনা-২ [Luna-2]চন্দ্রপৃষ্ঠকে স্পর্শকারী প্রথম মহাশূন্যযান।
লুনা-৩ [Luna-3]প্রথম উপগ্রহ যা চাঁদের অদৃশ্যমান অংশের ছবি পাঠায়।

ভস্টক-১

Vostok-1

মানুষ নিয়ে যাওয়া প্রথম মহাশূন্য যাত্রা। পৃথিবীর প্রথম মহাশূন্যচারী মানুষ হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন (Yuri Gagarin)। ১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল তিনি পৃথিবীকে পরিক্রমণ করেন।

স্টক-৬

Stock-6

প্রথম মহিলা মহাশূন্যচারীবাহী মহাশূন্যযান। এই মহিলা ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেলানটিনা তেরেসকোভা (valentina tereshkova)। ১৯৬৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি মহাশূন্য যাত্রা করেন।

ইনটেলসেট-১

Intelset-I

বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের জন্য পাঠানো প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ। পরবর্তীতে উপগ্রহটির নামকরণ করা হয় Early Bird.

ভেনেরা-৩

Venera -3

শুক্র গ্রহে অবতরণকারী প্রথম মহাশূন্যযান। ১৯৬৫ সালের ১৬ নভেম্বর এটি শুক্রগ্রহে অবতরণ করে।

লুনা-১

Luna-9

প্রথম সফলভাবে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণকারী (Soft landing) মহাশূন্য অনুসন্ধানী যান।

সয়োজ-৪

[Soyoge-4]

প্রথম পরীক্ষামূলক স্পেস স্টেশন।

অ্যাপোলো-১১

Apollo-11

অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণকারী প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান। এই অভিযানে অংশ নেন মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং, মাইকেল কলিন্স এবং এডুইন অল্ড্রিন। ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং প্রথম মানব হিসেবে চন্দ্রপৃষ্ঠে পা রাখেন। এ সময় তিনি বিখ্যাত একটি মন্তব্য করেন, "This is a small step for (a) man but a giant leap for mankind". (এটি একটি মানুষের জন্য ক্ষুদ্র পদক্ষেপ কিন্তু মানব জাতির জন্য বিশাল অগ্রযাত্রা)। ২০১২ সালের ২৫ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মারস-২

[Mars-2]

মঙ্গলগ্রহে অবতরণকারী প্রথম মহাশূন্য অনুসন্ধানী যান। (Space Probe)

পায়োনিয়ার

Pioneer

প্রথম মহাশূন্য অনুসন্ধানীযান যা বৃহস্পতি গ্রহে খুব নিকট হতে ছবি তুলতে সক্ষম হয়।

ল্যান্ডসেট-১

Land set-1

রিমোট সেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ।
অ্যাপোলো-সায়োজ টেস্ট প্রজেক্টআন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য মহাশূন্যে পাঠানো প্রথম উপগ্রহ।

ভয়েজার

Voyager

বৃহস্পাতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন এবং প্লুটোর কক্ষপথে প্রেরিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি মহাশূন্যযান।
ভাইকিং [Viking]মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশ্যে পাঠানো মার্কিন মহাশূন্য অনুসন্ধানী যান।
গ্যালিলিও [Galileo]পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ।

পাথ ফাইন্ডার

Pathfinder

'পাথ ফাইন্ডার' হল মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশ্যে প্রেরিত একটি মার্কিন নভোযান।

'পাথ ফাইন্ডারের সাথে পাঠানো রোবটের নাম 'সোজার্নার'। রোবটটিকে পাঠানো হয়েছিল মঙ্গলগ্রহের শিলারাশি পরীক্ষা ও চিত্র প্রেরণের জন্য।

চন্দ্রযান-১

Chandrayaan-1

প্রথম ভারতীয় চন্দ্রযান হিসাবে ২০০৮ সালের ১৪ নভেম্বর সফলভাবে চাঁদে অবতরণ করে।

মহাশূন্যে প্রথম ……..

প্রথম মহাশূন্যচারী

মানব

মানবী

নামইউরি গ্যাগারিনভেলেনাটনা তেরেসকোভা
দেশসোভিয়েত ইউনিয়নসোভিয়েত ইউনিয়ন
মহাশূন্যযানের নামভস্টক-১ভস্টক-৬
সময়কাল১২ এপ্রিল, ১৯৬১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৩
Content added By
Content updated By

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা

1.3k
মহাকাশ গবেষণা সংস্থা

National Aeronautics and Space Administration (NASA)

Introduction

ভূমিকা

US Space Research Research Agency

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা

Formed (প্রতিষ্ঠাকাল)29 July, 1958

Headquarters

সদর দপ্তর

Washington DC, USA

ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র

Rocket launch site

উৎক্ষেপণ কেন্দ্র

Cape Canaveral, Florida

ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরালে (পূর্ব নাম কেপ কেনেডি)

European Space Agency (ESA)

পরিচিতিইউরোপের ১৮টি দেশের সম্মিলিত মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
Formed (প্রতিষ্ঠাকাল1975 AD.
Headquarters (সদর দপ্তর)

Paris, France

প্যারিস, ফ্রান্স।

Membership (সদস্যপদ)

২৩টি ইউরোপীয় দেশ

ESA-এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহ (২৩টি):
অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মঙ্গল গ্রহের একটি উপগ্রহ
বৃহস্পতি গ্রহের একটি উপগ্রহ
শনি গ্রহের একটি উপগ্রহ
পৃথিবী থেকে পাঠানো বৃহস্পতির একটি কৃত্রিম উপগ্রহ

পৃথিবীর গতি

3.3k

পৃথিবীর বার্ষিক গতি

পৃথিবীর গতি মূলত দুই প্রকার: আহ্নিক গতি (নিজ অক্ষে ঘূর্ণন) এবং বার্ষিক গতি (সূর্যের চারদিকে আবর্তন)।

Content added By
Content updated By

আহ্নিক গতি

2.1k
পৃথিবীর আহ্নিক গতি (Diurnal Motion)

সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষ বা মেরুরেখার ওপর পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এ গতিকে আবর্তন গতি বা আহ্নিক গতি বলে। নিজ মেরুরেখার চারদিকে এক বার সম্পূর্ণ ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টা। এ ২৪ ঘণ্টাকে 'একদিন' হিসেবে গণনা করা হয়। পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনের সময়কে সৌরদিন (Solar day) বলে।

আহ্নিক গতির বেগ (The speed of Earth's Rotation)

নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ সবচেয়ে বেশি- ঘন্টায় ১,৬১০ কিলোমিটারের বেশি। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে এই গতিবেগ ক্রমশ কমতে থাকে। পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুতে এ গতিবেগ শূন্যের কাছাকাছি।

আহ্নিক গতির ফল (Effect of Diurnal Motion)

১) দিবারাত্রি সংঘঠন (Occurrence of day and night)

পর্যায়ক্রমে দিবারাত্রি সংঘঠিত হওয়া আহ্নিক গতির একটি ফল। আহ্নিক গতি না থাকলে পৃথিবীর অর্ধাংশে চিরকাল দিন ও বিপরীত অর্ধাংশে চিরকাল রাত থাকত। কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবীর একদিকে রাত, অপরদিকে দিন হয়। অর্থাৎ পৃথিবীর একদিকে আলোকিত থাকে অপরদিকে অন্ধকার থাকে। পৃথিবীর এই আলোকিত অংশ ও অন্ধকার অংশের সীমারেখাকে ছায়াবৃত্ত (The Shadow circle) বলে। আহ্নিক গতি বা আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশে পৌঁছায় সে অংশে হয় প্রভাত (Morning)। আর যে অংশ আলোকিত অংশ থেকে ছায়াবৃত্ত অতিক্রম করে সবেমাত্র অন্ধকারে পৌঁছায় সে অংশে হয় সন্ধ্যা (Evening)। প্রভাতের কিছুক্ষণ পূর্বে যে ক্ষীর্ণ আলো দেখতে পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ঊষা (Dawn)। আর সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে বলা হয় গোধূলি (Twilight)।

২) তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি (Temperature differences)

৩) সমুদ্রস্রোত, জোয়ার-ভাঁটা ও বায়ুপ্রবাহ (Ocean currents, Tide & ebb and wind circulation

জোয়ার-ভাঁটার সৃষ্টি হয় পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে। আহ্নিক গতির সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।

৪) সময় নির্ধারণ (Determining the time)

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সূর্য পৃথিবীর নিকটতম হয়
দিন ও রাত হয়
চাঁদের তাপ বৃদ্ধি পায়
রাত্রি দীর্ঘ হয়

বার্ষিক গতি

1.8k

পৃথিবীর বার্ষিক গতি (Annual Motion)

নিজ অক্ষে ২৪ ঘণ্টায় এক বার আবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী একটি নির্দিষ্ট পথে বছরে এক বার সূর্যের চারদিকে ঘুরে আসে। পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে পৃথিবীর এ পরিভ্রমণকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে। পৃথিবীর কক্ষপথ উপবৃত্তাকার। পৃথিবীর কক্ষপথের পরিধি ৯৩,৮০,৫১,৮২৭ কি.মি। নিজ কক্ষপথে এক বার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। যে সময়ে পৃথিবী সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসে সে সময়কালকে বলা হয় এক সৌরবছর (Solar Year)।

বার্ষিক গতির বেগ (Speed of Revolution)

সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর গড় গতিবেগ- ১৮.৫ মাইল/ সেকেন্ড বা ৬৬,৫০০ মাইল/ঘন্টা অথবা ৩০ কি:মি:/সেকেন্ড বা ১,০৬,২৬০ কি:মি:/ ঘন্টা।

অনুসূর (Perihelion): পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষে সূর্যকে পরিক্রমণ করতে করতে জানুয়ারির ১ থেকে ৩ তারিখে এমন এক অবস্থানে পৌছায় যেখানে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে কম থাকে। একে পৃথিবীর অনুসুর অবস্থান বলে।

অপসূর (Aphelion): পৃথিবী উপবৃত্তাকার কক্ষে সূর্যকে পরিক্রমণ করতে করতে ১ থেকে ৩ ৪ জুলাই তারিখে এমন এক অবস্থানে পৌঁছায় যেখানে সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে। একে পৃথিবীর অপসূর অবস্থান বলে।

বার্ষিক গতির ফল (Effects of Annual Motion)

১) ঋতু পরিবর্তন (Changes of seasons)

তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারা বছরকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। এ প্রতিটি ভাগকে একটি ঋতু বলা হয়। এগুলো হল গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল।

২) দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি (Fluction of day and night)

নিরক্ষরেখায় সারাবছর দিবারাত্রি সমান থাকে। কিন্তু বার্ষিক গতির কারণে উত্তর ও দক্ষিণ গোলোর্ধে দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি হয়। নিম্নে তা ছক আকারে দেওয়া হল-

তারিখ

উত্তর গোলার্ধ

Northern Hemisphere

দক্ষিণ গোলার্ধ

Southern Hemisphere

২১ জুনদীর্ঘতম দিনক্ষুদ্রতম রাতক্ষুদ্রতম দিনদীর্ঘতম রাত
২২ ডিসেম্বরক্ষুদ্রতম দিনদীর্ঘতম রাতদীর্ঘতম দিনক্ষুদ্রতম রাত
২১ মার্চ

পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান

২৩ সেপ্টেম্বর

পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

পৃথিবীর কাল্পনিক রেখাসমূহ

5.1k

পৃথিবীর কাল্পনিক রেখা সমূহ

পৃথিবীর অবস্থান, সময় ও জলবায়ু নির্ধারণের জন্য ভৌগোলিকরা পৃথিবী পৃষ্ঠে কতগুলো কাল্পনিক রেখা কল্পনা করেছেন, যার প্রধান দুটি প্রকার হলো অক্ষরেখা (পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত) ও দ্রাঘিমারেখা (উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত) । প্রধান কাল্পনিক রেখাগুলো হলো নিরক্ষরেখা (০°), কর্কটক্রান্তি (২৩.৫° উ), মকরক্রান্তি (২৩.৫° দ), সুমেরু বৃত্ত (৬৬.৫° উ) এবং কুমেরু বৃত্ত (৬৬.৫° দ) ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

°' দক্ষিণ অক্ষাংশ
°' উত্তর অক্ষাংশ
°' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
°'পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ

দ্রাঘিমা রেখা

ছেদ রেখা

নিরক্ষরেখা

মধ্যরেখা

বিষুবরেখা

2.4k
বিষুবরেখা (Tropic/Equator)

দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। এ রেখাকে বলা হয় বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা। বিষুবরেখা নিরক্ষবৃত্ত, মহাবৃত্ত, গুরুবৃত্ত প্রভৃতি নামেও পরিচিত। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্ত করে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ এবং নিরক্ষরেখার দক্ষিণ দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে। বিষুবরেখা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরভাগ, আফ্রিকার মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। বিষুব রেখার উপর অবস্থিত দেশসমূহ- ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, গ্যাবন, কঙ্গো, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, উগান্ডা, কেনিয়া, সোমালিয়া, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এবং কিরিবাতি।

অক্ষাংশ (Latitude)

নিরক্ষরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের অক্ষাংশকে দক্ষিণ অক্ষাংশ বলে। নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ ০°; উত্তর মেরু বা সুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° উত্তর এবং দক্ষিণ মেরু বা কুমেরুর অক্ষাংশ ৯০° দক্ষিণ।

অক্ষাংশ নির্ণয় পদ্ধতি:

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।

১) ধ্রুবতারার সাহায্যে

২) সেক্সট্যান্ট যন্ত্র ও সূর্যের অবস্থান থেকে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

স্লো হবে
ফাস্ট হবে
ঠিক সময় দেবে
কোনো রকম প্রভাবিত হবে না।
°' দক্ষিণ অক্ষাংশ
°' উত্তর অক্ষাংশ
°' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
°'পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ

অক্ষরেখা

2.6k

সমাক্ষরেখা বা অক্ষরেখা (Line of latitude)

অক্ষ রেখা, বা, অক্ষ বৃত্ত হচ্ছে পৃথিবীর পূর্ব–পশ্চিমকে পূর্ণভাবে আবৃত করে রাখা বিমূর্ত কতগুলো বৃত্তরেখা যা একই অক্ষাংশের সকল স্থানকে (উচ্চতা উপেক্ষা করে) সংযুক্ত করে।

নিরক্ষরেখা থেকে প্রত্যেক মেরুর কৌণিক দূরত্ব ৯০°। এ কোণকে ডিগ্রি ও মিনিটে ভাগ করে নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখা কল্পনা করা হয় তাকে সমাক্ষরেখা বলে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

°' দক্ষিণ অক্ষাংশ
°' উত্তর অক্ষাংশ
°' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
°'পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ

দ্রাঘিমারেখা

1.3k

দ্রাঘিমারেখা (Lines of longitude) বা মধ্যরেখা (Meridian):

নিরক্ষরেখাকে ডিগ্রি, মিনিট ও সেকেন্ডে ভাগ করে প্রত্যেক ভাগবিন্দুর ওপর দিয়ে উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে রেখাগুলো কল্পনা করা হয়েছে তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।

মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল মধ্যরেখা বলে। মূল মধ্যরেখার দ্রাঘিমা ০° ।

দ্রাঘিমা (Longitude):

গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে বা পশ্চিমে যে কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমা বলা হয়।

দ্রাঘিমা নির্ণয়ের পদ্ধতি: ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থানের দ্রাঘিমা দুই ভাবে নির্ণয় করা যায়:

১) স্থানীয় সময়ের পার্থক্য

২) গ্রিনিচের সময়ের মাধ্যমে।

যে স্থানটির অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°:

যেখানে নিরক্ষরেখা ও মূল মধ্যরেখা পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে সেখানে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমা উভয়ই ০°। এ স্থানটি গিনি উপসাগরে অবস্থিত।

সমাক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার পার্থক্য

সমাক্ষরেখা (Parallels)

দ্রাঘিমারেখা (Meridians)

১. রেখাগুলো পরস্পর সমান্তরাল১. রেখাগুলো সমান্তরাল নয়
২. রেখাগুলো পূর্ণবৃত্ত২. রেখাগুলো অর্ধবৃত্ত
৩. রেখাগুলোর দৈর্ঘ্য সমান নয়; অক্ষাংশ বাড়লে সমাক্ষরেখার পরিধি কমে৩. প্রত্যেক দ্রাঘিমা রেখার দৈর্ঘ্য সমান
৪. রেখাগুলো পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত৪. রেখাগুলো উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত
৫. সর্বোমোট সমাক্ষরেখা ১৮১ টি৫. সর্বমোট দ্রাঘিমারেখা ৩৫৯টি
৬. সর্বোচ্চ অক্ষাংশ ৯০°৬. সর্বোচ্চ দ্রাঘিমা ১৮০°
স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়

স্থানীয় সময়: কোনো স্থানের সূর্য যখন মাথার উপর থাকে, তখন ঐ স্থানে মধ্যাহ্ন এবং সময় দুপুর ১২টা ধরা হয়। এ মধ্যাহ্ন সময় থেকে দিনের অন্যান্য সময় স্থির করা হয়। একে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় বলা হয়। ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের ব্যবধান ৪ মিনিট। কোনো স্থান গ্রিনিচের পূর্বে হলে তার স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা বেশি হবে এবং পশ্চিমে হলে স্থানীয় সময় গ্রিনিচের সময় থেকে কম হবে।

প্রমাণ সময়: প্রত্যেক দেশেই সেই দেশের মধ্যভাগের কোনো স্থানের দ্রাঘিমারেখা অনুযায়ী যে সময় নির্ণয় করা হয়, সে সময়কে ঐ দেশের প্রমাণ সময় বলে। অনেক বড় দেশ হলে সে দেশে কয়েকটি প্রমাণ সময় থাকে। বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রিনিচের সময় অপেক্ষা ৬ ঘণ্টা অগ্রবর্তী। ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগে অবস্থিত।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

°' দক্ষিণ অক্ষাংশ
°' উত্তর অক্ষাংশ
°' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
°'পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা

1.4k

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date line)

যে রেখা অতিক্রম করলে দিন এবং তারিখের পরিবর্তন হয়, তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। এ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব থেকে পশ্চিমে গেলে একদিন বিয়োগ করতে হয়; পক্ষান্তরে পশ্চিমে থেকে পূর্বে গেলে একদিন যোগ করতে হয়। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা মূলত ১৮০° দ্রাঘিমারেখা হলেও কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি আঁকাবাঁকা। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা সম্পূর্ণভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের জলভাগের ওপর অবস্থিত।

১৮০° রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্ব অংশ, অ্যালিউসিয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে গেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকে বেরিং প্রণালীতে ১২° পূর্ব, অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে ৭° পশ্চিম এবং ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের কাছে ১১° পূর্ব দিকে বাঁকানো। রেখাটি আঁকাবাঁকা না করলে এক দ্বীপের দুই পার্শ্বে সময়ের পার্থক্য হত একদিন। স্থানীয় লোকদের সময়ের হিসেবে অসুবিধা দূর করার জন্য রেখাটি আঁকাবাঁকা করে শুধু জলভাগের ওপর দিয়ে টানা হয়েছে।

Content added By
Content updated By

প্রতিপাদ স্থান

3k
প্রতিপাদ স্থান (Antipode)

ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীত বিন্দুকে সেই বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান বলে। প্রতিপাদ স্থান নির্ণয় করার জন্য ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্যে দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানা হয়। ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে ভূপৃষ্ঠের বিপরীত পাশে এসে পৌছায়, সেই বিন্দুই পূর্ব বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান। প্রতিপাদ স্থান দুইটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য ১২ ঘন্টা। ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্গত চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

Content added By
Content updated By

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of cancer)

33
কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of cancer)

২৩° ৩০' উত্তর অক্ষাংশ রেখাকে বলা হয় কর্কটক্রান্তি রেখা। রেখাটি উত্তর আমেরিকার দক্ষিণভাগ, আফ্রিকার উত্তর ভাগ এবং এশিয়ার দক্ষিণাংশ দিয়ে অতিক্রম করেছে। যে সকল দেশের উপর দিয়ে রেখাটি অতিক্রম করেছে, সেগুলো হলো- মেক্সিকো, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ (যুক্তরাষ্ট্র), বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি, আলজেরিয়া, নাইজার, চাঁদ, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ (মধ্যভাগ দিয়ে), মায়ানমার, চীন এবং তাইওয়ান।

Content added By

মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of capricon)

35

মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of capricon)

২৩° ৩০' দক্ষিণ অক্ষাংশ রেখাকে বলা হয় মকরক্রান্তি রেখা। রেখাটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ ভাগ, আফ্রিকার দক্ষিণভাগ এবং ওশেনিয়া মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। যে সকল দেশের উপর দিয়ে রেখাটি অতিক্রম করেছে, সেগুলো হলো- ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা, চিলি, টোঙ্গা, ফিজি, অস্ট্রেলিয়া, মাদাগাস্কার, মোজাম্বিক, দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, কুক দ্বীপপুঞ্জ (নিউজিল্যান্ড), নিউ ক্যালিডোনিয়া (ফ্রান্স)।

সুমেরুবৃত্ত (Arctic circle): ৬৬° ৩৩' উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরুবৃত্ত।

কুমেরুবৃত্ত (Antarctic circle): ৬৬° ৩৩' দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরুবৃত্ত।

পৃথিবীর মেরু অঞ্চল (Polar region of the earth): ২ টি। যথা-

ক) উত্তর মেরু (North pole): আর্কটিক সাগরে অবস্থিত।

খ) দক্ষিণ মেরু (South pole): এন্টার্কটিকা মহাদেশে অবস্থিত।

Content added By

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

1.2k

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মের আকস্মিক ও ধ্বংসাত্মক পরিবর্তন, যা মানুষ, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প, জলোচ্ছ্বাস, খরা, নদীভাঙন, এবং সুনামি ইত্যাদি এর প্রধান উদাহরণ । এসব দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তন বা ভূ-গর্ভস্থ প্রক্রিয়ার কারণে ঘটে, যা আর্থ-সামাজিক জীবনে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ।

Content added By
Content updated By

সুনামি

1.3k
সুনামি (Tsunami)

সুনামি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এটি মূলত জাপানি শব্দ; এর অর্থ পোতাশ্রয় ঢেউ। সমুদ্র তলদেশে প্রচণ্ড মাত্রার ভূকম্পন বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে, কিংবা অন্য কোনো কারণে, ভূ-আলোড়নের সৃষ্টি হলে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে প্রবল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। ভূকম্পনে সৃষ্ট এ সমুদ্র ঢেউ সুনামি (Tsunami) নামে পরিচিত। সুনামি উপকূলীয় শহর ও অন্যান্য লোকালয়ে আকস্মিক ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করে। ২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামির ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায় ৭০০-৮০০ কি.মি।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
ঘূর্ণিঝড়
সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প
সূর্যগ্রহণ
আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
ঘূর্ণিঝড়
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
ঘূর্ণিঝড়
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত
ঘুর্নিঝড়
সুর্য গ্রহন
সমুদ্র তলদেশে ভুমিকম্প

ঘুর্ণিঝড়

1.3k
ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)

ঘূর্ণিঝড় হল উষ্ণ কেন্দ্রীয় লঘুচাপ, যার চারদিকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রচণ্ডভাবে ঘুরতে থাকে। ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাসার্ধ সাধারণত ৫০০-৬০০ কিলোমিটার প্রর্যন্ত হতে পারে। হালকা বাতাস ও হালকা মেঘ দিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র 'অয়ন' নামে পরিচিত। 'অয়ন' এর ব্যাসার্ধ ২০-১৫০ কিলোমিটার প্রর্যন্ত হতে পারে। কেন্দ্রের চারদিকে ঘুর্ণায়মান বাতাসের গতি ঘন্টায় ৬২ থেকে ১২৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বা তার বেশি হতে পারে।

একটি পূর্নাঙ্গ ঘূর্ণিঝড় প্রবাহিত হওয়ার সময় যে সব এলাকার ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করে সে সব এলাকায় তিন ধরনে প্রভাব বিস্তার করে। এ তিন ধরনের প্রভাব হচ্ছে: প্রবল বাতাস, বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস।

Content added By
Content updated By

ভূমিকম্প-Earthquake

1.6k

ভূমিকম্প

ভূত্বকের নিচে টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়ার ফলে ভূপৃষ্ঠে যে কম্পন অনুভূত হয়, তাকে ভূমিকম্প বলে। ভূমিকম্প মাপার ক্ষেত্রে সাধারণত বিশ্বব্যাপী রিখটার স্কেল ব্যবহৃত হয়, তবে সংশোধিত মার্কলি স্কেলও স্বীকৃত। রিখটার স্কেলে ১ মাত্রার ভূমিকম্প হলো সর্বনিম্ন মাত্রা, আর সর্বোচ্চ মাত্রা হলো ১০। পৃথিবীর ইতিহাসে মারাত্মক সব ভূমিকম্প নথিভুক্ত করা হয়েছে। টেকটনিক প্লেট ছাড়াও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতেও ভূমিকম্প সংঘটিত হতে পারে। ভূমিকম্পের ফলে ভূত্বকের উপরে থাকা স্থাপনা কম্পন সহ্য করতে না পারলে ভেঙ্গে পড়ে। সমুদ্রে ভূকম্পন হলে পানিতে আলোড়ন সৃষ্টি করে, ফলে সংঘটিত হয় সুনামি ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সিসমোমিটার
ব্যারোমিটার
থার্মোমিটার
ম্যানোমিটার
চুড়ান্ত ভূমিকম্প
শেয়ার বাজারের পতন
বাৎসরিক মোটর চালানো উৎসব
আনবিক যুদ্ধ
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...